যোগাযোগের দক্ষতা হল এমন দক্ষতা সমূহ যা ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তির সঙ্গে সার্থকভাবে ভাবের আদান-প্রদানের মাধ্যমে যোগাযোগ সম্পন্ন করে থাকে। তাই যোগাযোগ দক্ষতা (Communication Skills) মানব জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ।
যোগাযোগের দক্ষতা সংক্রান্ত দুই নম্বরের প্রশ্ন উত্তর কেমন হবে তা এখানে আলোচনা করা হলো। এটি মূলত কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের (SEC পেপার) শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর।
যোগাযোগের দক্ষতা দু’নম্বরের প্রশ্ন উত্তর | Communication Skills MCQ with Answers
যোগাযোগের দক্ষতা (Communication Skills) বিষয়ে যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পরিলক্ষিত হয় সেই প্রশ্নগুলির উত্তর সহ এখানে আলোচনা করা হল –
অধ্যায় 1 – যোগাযোগের ভূমিকা
প্রশ্ন – যোগাযোগের সংজ্ঞা দাও।
উত্তর – যোগাযোগ হল তথ্যের একে অপরের মধ্যে আদান প্রদানের (Transmission of information) প্রক্রিয়া। যোগাযোগের অন্যতম সংজ্ঞা হল –
ডিউই (Dewey) – এর মতে, “Communication is a process of sharing experience till it becomes a common possession.” অর্থাৎ যোগাযোগ হল পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রক্রিয়া, যতক্ষণ না উভয়ের অভিজ্ঞতা সমান হয়।
প্রশ্ন – যোগাযোগ প্রক্রিয়ার যে-কোনো দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর – যোগাযোগ প্রক্রিয়ার অন্যতম দুটি বৈশিষ্ট্য হল –
i) সঞ্চালনমূলক প্রক্রিয়া (Transactional Process) – যোগাযোগ প্রক্রিয়াটি বিনিময় সাপেক্ষ। একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তির সঙ্গে কতকগুলি অভিজ্ঞতা, ভাব, ধারণা, অনুভূতি, চিন্তাধারা ইত্যাদির বিনিময় করে।
ii) দ্বিমুখী প্রক্রিয়া (Bipolar Process) – যোগাযোগ একটি দ্বিমুখী প্রক্রিয়া যেখানে প্রেরক ও গ্রাহক উভয়ের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজস্ব ধারণার উন্নতি ঘটাতে পারে। অর্থাৎ এর এক প্রান্তে থাকে প্রেরক এবং অন্য প্রান্তে থাকে গ্রাহক। এক্ষেত্রে প্রেরক ও গ্রাহক উভয়েই তথ্য, ধারণা ইত্যাদি প্রেরণ করতে পারে।
প্রশ্ন – যোগাযোগের দুটি উদ্দেশ্য লেখো।
উত্তর – যোগাযোগের দুটি উদ্দেশ্য হল –
i) সুসম্পর্ক স্থাপন (To Build Healthy Relationship) – কোনো দল, প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপন করা ও বজায় রাখা যোগাযোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
ii) ধারণার বিনিময় (To Exchange Ideas) – যোগাযোগের উদ্দেশ্য হল অপর কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো তথ্য, বার্তা, ধারণা ইত্যাদির বিনিময় করা। যেমন – একজন ব্যক্তির ভাবনা চিন্তা অন্যের মধ্যে সঞ্চালন করা।
প্রশ্ন – যোগাযোগ প্রক্রিয়ার উপাদানগুলির নাম লেখো।
উত্তর – যোগাযোগ প্রক্রিয়ার উপাদান গুলির নাম হল –
- যোগাযোগ প্রসঙ্গ (Communication Context)
- উৎস বা প্রেরক (Source or Sender)
- সংকেতকরণ (Encoding)
- বার্তা (Message)
- প্রতীক (Symbol)
- মাধ্যম ( Channel)
- গ্রাহক (Receiver)
- সংকেত বিমুক্তকরণ (Decoding)
- প্রতিক্রিয়া (Feedback)
- গোলমাল (Noise)
প্রশ্ন – যোগাযোগের দুটি প্রকারভেদ লেখো।
উত্তর – যোগাযোগের দুটি প্রকার হল –
- বাচনিক বা ভাষাগত যোগাযোগ ও
- অবাচনিক বা ভাষাবিহীন যোগাযোগ।
প্রশ্ন – যোগাযোগ প্রক্রিয়ার (Communication Skills) যে-কোনো দুটি প্রতিবন্ধকতা লেখো।
উত্তর – যোগাযোগ প্রক্রিয়ার যে-কোনো দুটি প্রতিবন্ধকতা হল –
i) বার্তা প্রকাশে ব্যর্থতা (Lack of Message Expression) : অলসতার কারণে অনেক সময় গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ে পরিবেশন করা বার্তা গ্রহণ করে না, দীর্ঘ সময় তথা দীর্ঘদিন পরে সেই বার্তা গ্রহণ করতে ও প্রকাশে ব্যর্থ হয়।
ii) অস্পষ্ট প্রকাশভঙ্গি (Ambiguous Expression) : যোগাযোগের বার্তা অস্পষ্ট, কঠিন, বিকৃত ও অর্থহীন হলে গ্রাহকের কাছে বার্তার গ্রহণযোগ্যতা ও বোধগম্যতা কমে যায়। বার্তা সহজ, সরল, স্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ না হলে বিকৃত হয়ে যায়। তাই বার্তার গুণমান স্পষ্ট প্রকাশভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল।
প্রশ্ন – যোগাযোগের প্রাকৃতিক বাধা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর – পরিবেশগত ও শারীরিক অসুস্থতা বা দুর্বল স্বাস্থ্য, গোলযোগ প্রভৃতির ফলে যোগাযোগে সমস্যা তৈরি হয়। একে যোগাযোগের প্রাকৃতিক বাধা বলে।
প্রশ্ন – যোগাযোগের মনোবৈজ্ঞানিক বাধা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর – যোগাযোগের মনোবৈজ্ঞানিক বাধা বলতে সেই মানসিক প্রক্রিয়ার প্রতিবন্ধকতাগুলি বোঝায় যা কার্যকর যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করে। এই বাধাগুলি ব্যক্তির মানসিক অবস্থা, মনোভাব, দৃষ্টিভঙ্গি, এবং বিভিন্ন মানসিক চাপের মতো মানসিক কারণগুলির কারণে সৃষ্টি হয়। মনোবৈজ্ঞানিক বাধাগুলি যোগাযোগের প্রক্রিয়াকে জটিল এবং বিভ্রান্তিকর করে তোলে।
প্রশ্ন – যোগাযোগের ভাষাগত বাধা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর – যোগাযোগের ভাষাগত বাধা বলতে সেই প্রতিবন্ধকতাগুলি বোঝায় যা ভাষার ব্যবহারের কারণে কার্যকর যোগাযোগে সমস্যা সৃষ্টি করে। এর মধ্যে বিভিন্ন ভাষার ব্যবহারের সমস্যা, শব্দার্থের বিভ্রান্তি, উচ্চারণগত পার্থক্য, ভাষাগত শৈলীর অমিল এবং জটিল বা প্রযুক্তিগত শব্দের ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত। ভাষাগত বাধার কারণে ভুল বোঝাবুঝি এবং অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন – বাচনিক যোগাযোগ বলতে কী বোঝো?
উত্তর – যে উপায়ে ব্যক্তি তাদের আবেগ, চাহিদা, উদ্দেশ্য, মনোভাব এবং চিন্তাভাবনা মৌখিকভাবে বা ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকে, তখন তাকে বাচনিক যোগাযোগ বলে। এই বাচনিক যোগাযোগের মুখ্য উপাদান হলো ভাষা।
প্রশ্ন – অবাচনিক যোগাযোগ বলতে কী বোঝো?
উত্তর – অবাচনিক যোগাযোগ বলতে বোঝায়, যে উপায়ে ব্যক্তি তাদের আবেগ, চাহিদা, উদ্দেশ্য, মনোভাব এবং চিন্তাভাবনা সম্পর্কে মৌখিক ভাষা ব্যবহার না করে তথ্য প্রকাশ করে। যেমন – চোখের ভাষা, মুখের অভিব্যক্তি, অঙ্গভঙ্গি, অঙ্গবিন্যাস এবং শারীরিক ভাষার মাধ্যমে বার্তা বা সংকেত প্রেরণ।
অধ্যায় 2 – শ্রবণ দক্ষতা
প্রশ্ন – শ্রবণ দক্ষতা কাকে বলে?
উত্তর – শ্রবণ দক্ষতা হল সক্রিয়ভাবে এবং মনোযোগ সহকারে গ্রহণ করার, ব্যাখ্যা করার এবং অন্যদের দ্বারা প্রচারিত কথ্য ভাষা বা শ্রবণ সংক্রান্ত তথ্য বোঝার ক্ষমতা।
প্রশ্ন – চার ধরনের শ্রবণ কী কী? (What are the four types of listening?)
উত্তর – চার ধরনের শ্রবণ হল –
i) একপাক্ষিক শ্রবণ (One-way Listening)
ii) দ্বিপাক্ষিক শ্রবণ (Bilateral Listening)
iii) গভীর শ্রবণ (Deep Listening)
iv) সম্পূর্ণ শ্রবণ (Full Listening)
প্রশ্ন – শ্রবণের দুটি উপাদান কী কী? (What are the two components of listening?)
উত্তর – শ্রবণের দুটি উপাদান হল –
i) শোনা (Hearing),
ii) মনোযোগ (Attention) ও ধারণ (Retention)
প্রশ্ন – একপাক্ষিক শ্রবণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও
উত্তর – যে শ্রবণ প্রক্রিয়ায় শ্রোতা শুধু বক্তার বক্তব্য শোনে, কিন্তু নিজের মতামত বা প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে না, তাকে একপাক্ষিক শ্রবণ বলে।
উদাহরণ: শিক্ষক শ্রেণিতে বক্তৃতা দিচ্ছেন এবং শিক্ষার্থীরা নীরবে শুনছে।
প্রশ্ন – দ্বিপাক্ষিক শ্রবণ কাকে বলে? উদাহরণ দাও
উত্তর – যে শ্রবণ প্রক্রিয়ায় বক্তা ও শ্রোতা উভয়েই পরস্পরের বক্তব্য শোনে এবং মতামত বা প্রতিক্রিয়া বিনিময় করে, তাকে দ্বিপাক্ষিক শ্রবণ বলে।
উদাহরণ: শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে প্রশ্নোত্তর আলোচনা।
প্রশ্ন – শ্রবণের ধাপগুলি কী কী?
উত্তর – শ্রবণের প্রধান ধাপগুলি হল— শোনা → মনোযোগ দেওয়া → বোঝা → বিশ্লেষণ/মূল্যায়ন → প্রতিক্রিয়া প্রদান।
প্রশ্ন – শোনা (Hearing) ও শ্রবণ (Listening)-এর মধ্যে পার্থক্য কী কী?
উত্তর – শোনা (Hearing) ও শ্রবণ (Listening)-এর মধ্যে পার্থক্য হল –
| শোনা (Hearing) | শ্রবণ (Listening) |
|---|---|
| এটি মূলত শব্দ কানে পৌঁছানোর শারীরিক প্রক্রিয়া। | এটি মনোযোগ দিয়ে কথা বোঝার সক্রিয় প্রক্রিয়া। |
| এতে বিশেষ মানসিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয় না। | এতে মনোযোগ, বোঝা ও প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন হয়। |
অধ্যায় 3 – কথন দক্ষতা
প্রশ্ন – কথন দক্ষতা কী?
উত্তর – কথন দক্ষতা হলো নিজের ভাবনা, অনুভূতি, মতামত ও তথ্যকে স্পষ্ট, সুন্দর ও শ্রুতিমধুরভাবে মুখের মাধ্যমে প্রকাশ করার দক্ষতা।
প্রশ্ন – বিতর্ক ও দলবদ্ধ আলোচনার দুটি পার্থক্য লেখো।
উত্তর – বিতর্ক ও দলবদ্ধ আলোচনার দুটি পার্থক্য হল –
১. বিতর্কে কোনো বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়, কিন্তু দলবদ্ধ আলোচনায় কোনো বিষয় সম্পর্কে মতামত ও তথ্য বিনিময় করা হয়।
২. বিতর্কের মূল উদ্দেশ্য নিজের বক্তব্যকে যুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা, কিন্তু দলবদ্ধ আলোচনার উদ্দেশ্য হলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি বোঝা বা সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।
প্রশ্ন – তাৎক্ষণিক বক্তৃতার (Extempore) দুটি সুবিধা লেখো।
উত্তর – তাৎক্ষণিক বক্তৃতার (Extempore) দুটি সুবিধা হল –
১. এটি আত্মবিশ্বাস ও তাৎক্ষণিক চিন্তাভাবনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
২. এটি সাবলীলভাবে ও দ্রুত নিজের বক্তব্য প্রকাশের দক্ষতা গড়ে তোলে।
প্রশ্ন – দলগত আলোচনার দুটি প্রকার লেখো।
উত্তর – দলগত আলোচনার দুটি প্রকার হলো—
১. নির্দেশিত দলগত আলোচনা
২. অনির্দেশিত দলগত আলোচনা।
প্রশ্ন – জনসমক্ষে বক্তৃতা কী?
উত্তর – কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে একদল শ্রোতার সামনে সুসংগঠিত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করাকে জনসমক্ষে বক্তৃতা বলে।
প্রশ্ন – জনসমক্ষে বক্তৃতা আকর্ষণীয় করার পন্থা লেখো।
উত্তর – জনসমক্ষে বক্তৃতা আকর্ষণীয় করার কয়েকটি পন্থা হলো— সহজ ও স্পষ্ট ভাষা ব্যবহার, উপযুক্ত উদাহরণ দেওয়া, কণ্ঠস্বরের ওঠানামা করা, শ্রোতাদের সঙ্গে চোখের যোগাযোগ রাখা এবং প্রাসঙ্গিক অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করা।
প্রশ্ন – তাৎক্ষণিক বক্তৃতার স্তরগুলি উল্লেখ করো।
উত্তর – তাৎক্ষণিক বক্তৃতার প্রধান স্তরগুলি হলো— বিষয় নির্বাচন ও বোঝা → চিন্তা সংগঠিত করা → বক্তব্য উপস্থাপন → উপসংহার।
প্রশ্ন – বাচনিক যোগাযোগের যে-কোনো দুটি কৌশলের উল্লেখ করো।
উত্তর – বাচনিক যোগাযোগের দুটি কৌশল হলো—
১. সক্রিয় শ্রবণ
২. স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্তভাবে বক্তব্য প্রকাশ।
প্রশ্ন – বাচনিক যোগাযোগ বলতে কী বোঝো?
উত্তর – ভাষা ও শব্দের মাধ্যমে একজনের ভাবনা, অনুভূতি, তথ্য বা মতামত অন্যের কাছে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে বাচনিক যোগাযোগ বলে।
প্রশ্ন – অবাচনিক যোগাযোগ বলতে কী বোঝো?
উত্তর – শব্দ বা ভাষার প্রত্যক্ষ ব্যবহার ছাড়া অঙ্গভঙ্গি, মুখের অভিব্যক্তি, দেহভঙ্গি, চোখের দৃষ্টি ইত্যাদির মাধ্যমে ভাব বা তথ্য প্রকাশের প্রক্রিয়াকে অবাচনিক যোগাযোগ বলে।
প্রশ্ন – বাচনিক যোগাযোগের উদাহরণ দাও।
উত্তর – শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের কোনো বিষয় মৌখিকভাবে ব্যাখ্যা করছেন—এটি বাচনিক যোগাযোগের উদাহরণ।
প্রশ্ন – অবাচনিক যোগাযোগের উদাহরণ দাও।
উত্তর – অবাচনিক যোগাযোগের উদাহরণ – কাউকে দেখে হাসি দিয়ে অভিবাদন জানানো।
প্রশ্ন – দলগত আলোচনার দুটি সুবিধা লেখো।
উত্তর – দলগত আলোচনার দুটি সুবিধা হল –
১. এটি মতামত প্রকাশ ও অন্যের মতামত শোনার দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
২. এটি সহযোগিতা, যুক্তিচিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করে।
প্রশ্ন – যে দুটি উপায়ের মাধ্যমে উচ্চারণ দক্ষতার বিকাশ ঘটানো যায় তা লেখো।
উত্তর – দুটি উপায়ের মাধ্যমে উচ্চারণ দক্ষতার বিকাশ ঘটানো যায় তা হল –
১. নিয়মিত শুদ্ধ উচ্চারণের অনুশীলন ও আবৃত্তি করা।
২. শুদ্ধ ভাষাভাষী ব্যক্তির কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে অনুকরণ করা।
উপসংহার (Conclusion)
Communication Skills বিষয়টি শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত জীবনের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগের মৌলিক ধারণার পাশাপাশি Listening Skill ও Speaking Skill-এর যথাযথ অনুশীলন শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও প্রকাশক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
📚 আরও সাজেশন, নোটস ও PDF স্টাডি ম্যাটেরিয়াল
Calcutta University-এর সাজেশন, নোটস, প্রশ্নোত্তর, PDF Book এবং অন্যান্য স্টাডি ম্যাটেরিয়াল পেতে আমাদের Edutiips ও Edubitan ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।
তথ্যসূত্র (References)
- Aggarwal, I. E.: Essentials of Educational Technology: Teaching Learning, Vikash Publishing House Pvt. Ltd., 2001, New Delhi.
- Bhatt
- Bhatt and Sharma, S. R.: Educational Technology, Kanika Publishing House, New Delhi.
- Chauhan, S. S.: Innovations in Teaching Learning Process, Vikash Publication, 1990, New Delhi.
- Hornby, A.S. 1995. Oxford Advanced Learner Dictionary. New York: Oxford University Press
- Hughes, R. (2002). Teaching and researching speaking. Edinburgh: Pearson Education.
- Ravi, S. Samuel, A Comprehensive Study of Education, Fourth Printing-May 2016, Delhi – 110092, ISBN – 978-81-203-4182-1,
- Communication Skills MCQ with Answers
- Internet sources
- PDF Book / Study Materials
প্রশ্ন – যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের ভূমিকা কী?
উত্তর – যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের ভূমিকা হল প্রেরকের দ্বারা পাঠানো বার্তা গ্রহণ করা ও সেই বার্তা সংকেতমুক্ত করতে সক্ষম হওয়া। অর্থাৎ গ্রাহক প্রেরকের পাঠানো বার্তাটি বুঝতে সক্ষম হন।
আরোও পড়ুন
- CU BA যোগাযোগের দক্ষতা সাজেশন | Communication Skill Suggestion | Sem – 1/2/3
- কথন দক্ষতা কাকে বলে | বৈশিষ্ট্য, প্রয়োজনীয়তা | Concept of Speaking Skills
- কার্যকরী যোগাযোগের বাধাসমূহ | 10 Barriers of Effective Communication
- দলগত আলোচনা কাকে বলে | দলগত আলোচনার বৈশিষ্ট্য | Concept and Characteristics of Group Discussion
- দলগত আলোচনার সুবিধা ও অসুবিধা | Advantages and Disadvantages of Group Discussion
- পঠন কাকে বলে | পঠনের বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো | Concept of Reading
- বাচনিক ও অবাচনিক যোগাযোগের পার্থক্য | Verbal and Non Verbal Communication Difference
- যোগাযোগ কাকে বলে | যোগাযোগ প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য | What is Definition of Communication
- যোগাযোগ কি | যোগাযোগ কত প্রকার ও কি কি | Types of Communication
যোগাযোগের দক্ষতা দু’নম্বরের প্রশ্ন উত্তর | Communication Skills MCQ with Answers সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।








